রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর

বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস করল ডিআর কঙ্গোর। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই পর্তুগিজদের বিপক্ষে রীতিমতো চমক দেখিয়ে ড্র করেছে কঙ্গো।

এদিন ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই পর্তুগালকে এগিয়ে দেন জোয়াও নেভেস। পেদ্রো নেতোর পাস থেকে গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন পিএসজি মিডফিল্ডার। পর্তুগালের জার্সিতে এটি নেভেসের চতুর্থ গোল। এরপর ৩০ মিনিটে হোয়াও ক্যানসালো ডিআর কঙ্গোর পেনাল্টি বক্সের ভেতর দিয়ে নিচু মাপা এক পাস পাঠান। সেই বল ধরতে তির্যকভাবে দৌড় দেন রোনালদো, বক্সে অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি। পেলে বিপদ হতে পারতো কঙ্গোর।

তিন মিনিট পর পর্তুগালের একটি ফ্রি-কিক থেকে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে ডিআর কঙ্গো। এদো কায়েমবে চমৎকারভাবে রেনাতো ভেইগার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে শট নেওয়ার জন্য জায়গা তৈরি করেন। প্রথমার্ধর শেষ মুহূর্তে সমতায় ফিরে ডিআর কঙ্গো। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে উড়ে আসা ক্রসে হেডে গোল করেন ইওয়ান উইসা। ক্রসটি দেন আর্থার মাসুয়াকু।

দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের লড়াই চলে সমান তালে। ৫৫ মিনিটে ফের এগিয়ে যেতে পারতো পর্তুগাল। বক্সের মধ্যে ক্যানসেলো অসাধারণ দক্ষতায় এক অ্যাক্রোবেটিক বাইসাইকেল কিকে বলটি সরাসরি জালের ওপরের কোণে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু গোল উদযাপনের আগেই সহকারী রেফারির পতাকা ওপরে উঠে যায়, অফসাইড।

পরের মিনিটেই কঙ্গোর সুযোগ পেলেও।বাবাম্বুর জোরালো শটে বল পোস্টে আঘাত করে। এদিন সবার নজর ছিল রোনালদোর দিকে। তবে তিনি প্রথমার্ধে ছিলেন নিষ্প্রভ। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেননি। বরং সুযোগ নষ্ট করেছেন একাধিক। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পর্তুগালকে।

এই ম্যাচে খেলতে নেমে লিওনেল মেসির রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। উভয়েরই টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপ এটি। পাশাপাশি, বিশ্বকাপে ৪১ বছর ১৩২ দিন বয়সে পর্তুগাল একাদশের হয়ে খেলতে নেমেছেন সিআর সেভেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দলের একাদশের হয়ে মাঠে নামা সবচেয়ে বেশি বয়সী আউটফিল্ড খেলোয়াড় এখন পর্তুগাল অধিনায়ক।

Facebook Comments Box
Share:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *