![fssss](https://banglaexpressonline.com/wp-content/uploads/2020/11/fssss.png)
জিয়াউল হক জুমন: আলোক সংবেদনশীল ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত করা যায় তেমনি ইলেক্ট্রনিক ডিসপ্লে সিস্টেমকে করা যায় আরও ঝকঝকে। ফাইবার অপটিক সিস্টেমস, অপটিক্যাল মেমোরি চিপস, রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস ইত্যাদি ক্ষেত্রে ফটোসেন্সরস বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। আর এসব সেন্সর তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজির ব্যবহার তাদের কার্যক্ষমতা ও সুক্ষতাকে বহুগুণে বৃদ্ধি করে। একারণে ন্যানোবিজ্ঞানীগণ ফটোসেন্সর গবেষণায় আগের যেকোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে অনেক বেশি মনোনিবেশ করেন।
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) এর সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ (সিএনআর) এর উদ্যোগে শনিবার সকালে “ফটোসেন্সরস ফর ইমার্জিং ন্যানোটেক এপ্লিকেশনস’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া ডেভিস এর ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পোস্ট ডক্টরাল গবেষক ড. মোঃ ওয়ায়েশ করোণী। ফটোসেন্সরের গঠন, বিভিন্ন ন্যানোমেটেরিয়েলস এর ব্যবহার, ন্যানোফেব্রিকেশন, সেন্সিং সক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় ইত্যাদি বিষয় তিনি উক্ত প্রবন্ধে উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধ পাঠ শেষে উক্ত প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন।
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ এর রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুব রব্বানী এর সভাপতিত্বে আয়োজিত ওয়েবিনারে একই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এস. মোছাদ্দেক আহমদ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ড. এবিএম ছিদ্দিক হোসাইন ওয়েবিনারটি উদ্বোধন করেন এবং একবিংশ শতাব্দির চাহিদা পুরণে ন্যানোটেকনোলজি বিষয়ে গবেষনায় গভীর মনোনিবেশ করার উপর গুরুত্বারূপ করেন। দেশ বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষক, ও গবেষকগণ উক্ত ওয়েবিনারে অংশ নেন। এআইএইবি এর পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ পারভেজ প্রশ্নোত্তর পর্ব সঞ্চালনা করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির এসোসিয়েট ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমানের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে ওয়েবিনারটি শেষ হয়।
উল্লেখ্য, সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ গত মার্চ মাসে ন্যানোটেকনোলজি বিষয়ের ওপর একটি আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম সফলভাবে আয়োজন করে যাতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক ছাত্র, শিক্ষক ও গবেষকগণ অংশগ্রহণ করেন।