
এর আগে কখনো কাঁচা মরিচের এত দাম হয়েছিল কি না তা বলা মুশকিল। যেমনটি ঝিনাইদহের শৈলকূপায় দেখা গেছে। এখানে সকালে কাঁচা মরিচের কেজি এক হাজার টাকা, আর বিকেলে তা হয়ে যায় ৮৫০ টাকা। হঠাৎ করেই মরিচের এমন দামে বাজারে এসে বিপাকে পড়ে যান ক্রেতারা।
শনিবার শৈলকূপা উপজেলা শহরের পৌর কাঁচা বাজার ঘুরে মিলেছে এমন চিত্র। তবে ঝিনাইদহ শহরের হাটগুলোতে মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকা কেজি দরে।
বাজারের কাঁচা মরিচ বিক্রেতা মেহের আলী জানান, সকালে পাইকারিতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ৮০০-৮৫০ টাকায়। সেই মরিচ আমরা খুচরা বিক্রি করি এক হাজার টাকা। পরে দুপুরে ঝিনাইদহ থেকে মরিচ আসার পর দাম কিছুটা কমে। মূলত কৃষকের ক্ষেতে মরিচ কম আর বাজারেও সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি।
আরেক বিক্রেতা বলেন, ব্যবসায়ীক জীবনে মরিচের এত দাম কোনোদিন দেখিনি। ক্রেতারা এসেই দাম শুনে কেউ কেউ চলে যাচ্ছেন, আবার অনেকেই বাক-বিতণ্ডায় জড়াচ্ছেন। আসলে আমাদের মতো বিক্রেতাদের তো কিছু করার নেই।
ক্রেতারা জানান, দাম এত বেশি যে মরিচ কেনা খুবই কষ্ট হচ্ছে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য মেলাতে পারছি না। এমন অবস্থা তো চলতে পারে না। এখনই উচিত বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া।
শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরী বলেন, আমি বাজার পরিদর্শন করেছি। এখন মরিচ ৭৫০-৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সকালে শুনেছি এক হাজার টাকা কেজি বিক্রি হয়েছিল। তবে তখন কেউ আমাকে জানায়নি। কোনো পাইকারকে বাজারে এখনো পাইনি। এই দাম বৃদ্ধির পেছনে কোনো কারসাজি থাকলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।