২০১৬ সালের শেষ দিকে মা শাহিনা আক্তার কুমিল্লা শহরের ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের নুরানি শাখায় ভর্তি করে দেন ছেলে রাফসান মাহমুদ জিসানকে। পরের বছর সে নুরানি পড়া শেষ করে।
২০১৮ সালে রাফসান হিফজ বিভাগে নাজেরা পড়া শুরু করে। নভেম্বরের আগেই তার পুরো কুরআন নাজেরা পড়া সম্পন্ন হয়। ওই মাসের ২ তারিখ রাফসান মাহমুদ জিসানকে কুরআন হিফজের সবক দেয়া হয়। সে দিন বিকালেই রাফসান ৩০তম পারা সবক শোনায়। হিফজ বিভাগের ওস্তাদ ভেবেছিলেন, ওই অংশটুকু তার আগে থেকেই মুখস্ত ছিলো। ফলে তাকে পরদিন অন্য পারা থেকে সবক দেয়া হয়। কিন্তু বিস্ময়করভাবে রাফসান পরদিনও সে পারার সবক সম্পন্ন করে ফেলে।
রাফসানের হিফজের ওস্তাদ জামাল উদ্দিন ও আবুল হাসান জানিয়েছিলেন, তখনই তারা নিশ্চিত হয়ে যান যে, রাফসান অন্য বাচ্চাদের থেকে আলাদা। সে বিশেষ মেধার অধিকারী।
তার মুখস্ত শক্তি হিফজ বিভাগের ছাত্র-শিক্ষক ছাত্রদেরকে অবাক করে দেয়। এরপর ধাপে ধাপে মোট ৪৯ দিনে পুরো ৩০ পারা কুরআন মুখস্ত করতে সক্ষম হয় ৮ বছরের ছোট্ট রাফসান মাহমুদ জিসান। রাফসান কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের প্রবাসী বাহার উদ্দিন ও শাহিনা আক্তারের ছেলে।