
মোঃ রাসেল ইসলাম,যশোর জেলা প্রতিনিধি: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বন্ধ থাকা যশোরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দোকানপাটে ক্রেতা—বিক্রেতাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আর গণপরিবহন আগের মতোই বন্ধ থাকবে। বুধবার(২৭শে মে)বেলা ১১টায় যশোর সার্কিট হাউজে ‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত’ জেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। চলে বেলা একটা পর্যন্ত।
‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত’ জেলা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফসহ সভায় উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ব্যক্তি বার্তা বাজারকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ। সভা শেষে তিনি বার্তা বাজারের প্রশ্নে জানান, যশোর জেলার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তথা দোকানপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন থেকে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা করলে দোকানপাট খুলতে পারবেন। তবে ক্রেতা—বিক্রেতাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
প্রত্যেক দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। পরস্পরের সঙ্গে নির্ধারিত দূরত্বও বজায় রাখতে হবে।
আজকের সভায় আরো অংশ নেন যশোরে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, করোনা সংক্রান্ত সেনা তৎপরতায় যশোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লে. কর্নেল নেয়ামুল, সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপকুমার রায়, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।
এর আগে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার মুখে গত ২৭ এপ্রিল যশোর জেলাকে ‘লকডাউন’ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও ‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত’ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিউল আরিফ।এর প্রায় দুই সপ্তাহ পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গেল ১০ মে দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়।
কিন্তু তখন ঈদবাজারে মানুষের চাপ ক্রমে বাড়তে থাকে। ক্রেতা—বিক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি মানছিলেন না। অন্যদিকে, জেলায় করোনাভাইরাস রোগীর সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ক’দিন পর গত ১৭ মে নির্বাহী আদেশ জারি করে ১৯ মে থেকে ফের দোকানপাট বন্ধ করে দেন।