October 1, 2022, 11:57 pm
সর্বশেষ:
কুবিতে কমিটি বিলুপ্তির ঘটনায় ছাত্রলীগের দু গ্রুপের অস্ত্রের মহড়া আড়াইহাজার থানা প্রেস ক্লাবের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, নতুন কমিটি গঠন লোহাগাড়ায় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুৃয়া’র অনুদান প্রদান শারদীয় দুর্গাপুজা : বাড়তি নিরাপত্তায় শার্শায় ২৯টি মন্ডপে সিসিটিভি স্থাপন সাফ জয়ী সোহাগী কিসকু ও স্বপ্না রানীকে ঠাকুরগাঁওয়ে গণসংবর্ধনা মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বসে ছিলেন রেললাইনে, কাটা পড়লো তরুণ-তরুণী আদালতের কাঠগড়া থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামী পুনঃগ্রেপ্তার আমিরাতে আরেক ধাপ কমলো জ্বালানি তেলের দাম সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর কুমিল্লায় বিষ প্রয়োগ করে ১২ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

সিলেট জুড়ে দেখা দিয়েছে কনজাংটিভার চোখ উঠার রোগ

  • Last update: Thursday, September 22, 2022

আবুল কাশেম রুমন, সিলেট: সিলেট জুড়ে দেখা দিয়েছে কনজাংটিভার চোখ উঠার রোগ। প্রতিদিন সিলেটের ওসমানী ও সদর হাসপাতালে চোখ উঠা রোগীদের দেখতে পাওয়া যায় চিকিৎসা নিতে। শুধু সিলেট নগরী নয় বিভিন্ন উপজেলায় এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এটি এক ধরণের ভাইরাস জনিত চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে কনজাংটিভাইটিস বা কনজাংটিভার বলা হলেও সমস্যাটি চোখ ওঠা নামেই পরিচিত। রোগটি ছোঁয়াছে,ফলে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা বলছেন, গরমে আর বর্ষায় ও রিতু পরিবর্তনে অনেক সময় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে। চোখের একেবারে বাইরের স্বচ্ছ অংশটির ডাক্তারি নাম ‘কনজাংকটিভা’। ভাইরাসের সংক্রমণে সেখানে তৈরি হয় প্রদাহ, ফুলে যায় চোখের ছোট ছোট রক্তনালি। ফুলে থাকা রক্তনালি গুলোর কারণেই চোখের রং লালচে হয়ে যায়, যেটাকে চোখ ওঠা বা ‘কনজাংকটিভাইটিস’ বলা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট নগরী থেকে শুরু করে বিভাগের বেশির ভাগ ঘরেই এখন চোখ ওঠা রোগী। হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। রোগী বাড়ায় দেখা দিয়েছে চোখের ড্রপের সংকট। আক্রান্তদের উল্লেখযোগ্য অংশই শিশু। সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই এই রোগ সেরে যায়। তবে জটিল রূপ ধারণ করলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ওপর এ বিষয়ে সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় শংকর দত্ত জানান, চোখ ওঠা একটি মওসুমী ভাইরাস জনিত রোগ। তবে ড্রপার ব্যবহারের আগে এর মান ও মেয়াদ সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। সরকারী হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে যোগাযোগ করতে হবে। সারাদেশের ন্যায় সিলেটেও চোখ ওঠার রোগী বেড়ে যাওয়ায় জেলার সকল সরকারী হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত ড্রপার সরবরাহ করা হয়েছে।

Advertisements
Drop your comments:

Please Share This Post in Your Social Media

আরও বাংলা এক্সপ্রেস সংবাদঃ
© 2022 | Bangla Express | All Rights Reserved
With ❤ by Tech Baksho LLC