July 6, 2022, 7:59 pm
সর্বশেষ:
দুবাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল সিটিতে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন আরাফাতে খুতবা দিবেন শায়খ ড. মুহাম্মাদ আবদুল করীম মৌলভীবাজারে কোরবানির হাটে প্রাণী সম্পদ-ভোক্তার যৌথ অভিযান সাতক্ষীরায় এক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টাকার বিনিময়ে সনদ দেয়ার অভিযোগ প্রতিবন্ধীদের ইশারায় কুরআন শিক্ষা দেওয়া হয় ইন্দোনেশিয়ার মাদ্রাসায় যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের নেতা নির্বাচন করবে চলচ্চিত্রে অনুদান প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির প্রতিবাদে সমাবেশ টিউশনির টাকার শাড়িতে পদ্মা সেতুর নকশা, প্রধানমন্ত্রীকে উপহাত দিতে চায় শিক্ষার্থী নোয়াখালীতে কোরবানির জন্য প্রস্তুত লক্ষাধিক পশু সিলেট অঞ্চলে কৃষি জমিতে ক্ষতির পরিমান ৬শ কোটি টাকা

সরবরাহ ঠিক থাকলেও দাম কমছে না চালের

  • Last update: Thursday, June 23, 2022

ভরা মৌসুমে সরবরাহ ঠিক থাকলেও দাম কমছে না চালের। মিলার ও পাইকারদের দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। বলছেন, সরবরাহ পর্যায়ে দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান উৎপাদন কম হাওয়ায় ঘাটতি পড়েছে চালে, এমনটা দাবি করছেন মিলাররা। তবে ক্রেতারা বলছেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় গলদ থাকায় কাটছে না তাদের দুর্ভোগ।

এদিকে, বাজারে মাঝে মধ্যে অভিযান চালানো হলেও মিলছে না সুফল। সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা টিসিবির পরিসংখ্যান বলছে, এক মাসের ব্যবধানে মোট চালের দাম বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। আর সরু চালের দাম বেড়েছে ৬ থেকে ৭ টাকা।

Advertisements

কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে। এরমধ্যে বয়স্ক একজন ক্রেতা বললেন, এখন যে পরিস্থিতি, যে দর আছে, সে দরে কিনে খেতে হচ্ছে। আমরা তো পরিস্থিতির শিকার। আরেকজন যুবক বলেন, চালের দাম তো বাড়তি, আমাদের মতো সাধারণ জনগণের কিনে খাওয়া কষ্ট হয়ে গেছে। সরকার যেন সিন্ডিকেটের বিষয়টা দেখে।

ঢাকার বিভিন্ন বাজারে বিআর২৮-চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা কেজিতে। মান ভেদে মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৭২ টাকা কেজিতে। খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল ও পাইকারী পর্যায়ে চালের দাম বেশি।

রাজধানীর এক বিক্রেতা বলেন, চালের দাম মাঝখানে কমছিল, আবার বেড়ে গেছে। পাইকাররা বলে, আমাদেরকে মিলাররা ঠিকমতো চাল সরবরাহ দিচ্ছে না। তারা দাম বেশি নিচ্ছে বলে আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি।

Advertisements

বৈরী আবহাওয়ার কারণে চলতি বছর ধান উৎপাদন কম হয়েছে। ঘাটতি পড়েছে চাল সরবরাহে। তাই চালের দাম ঊর্ধ্বমূখী, এমন দাবি মিল মালিকদের। পদ্মা অটো রাইস মিলের পরিচালক ফিরোজ হোসেন বলেন, এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছ; চালের উৎপাদন কম হয়েছে।

চলতি বছর দেশে চালের চাহিদা ৩ কোটি ৭০ লাখ টন। যা গত বছেরর তুলনায় প্রায় ১ শতাংশ বেশি।

Drop your comments:

Please Share This Post in Your Social Media

আরও বাংলা এক্সপ্রেস সংবাদঃ
© 2022 | Bangla Express | All Rights Reserved
With ❤ by Tech Baksho LLC