February 1, 2023, 8:11 am
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে শহীদ কমরেড কম্পরাম সিংহ স্মৃতি কমপ্লেক্স উদ্বোধন বানিয়াচংয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সিএনজি স্ট্যান্ড ম্যানেজারকে জরিমানা আমিরাতে ফ্রন্টলাইন করোনাযোদ্ধা মামুনুর রশীদ গোল্ডেন ভিসায় সম্মানিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে: প্রধানমন্ত্রী মোংলা ইপিজেডে ভিআইপি কারখানায় আগুন দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১২তমঃ টিআই তারেক রহমান ও জোবায়দাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়ে গেজেট প্রকাশ বাঘের অবয়ব তৈরী করল বনবিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওআইসি সদস্যভুক্ত সাত দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ফের বাড়লো বিদ্যুতের দাম

পর্যটকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কুয়াকাটার ফিশ ফ্রাই

  • Last update: Thursday, January 26, 2023

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের পছন্দের খাদ্য তালিকায় প্রথমেই রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের বারবিকিউ ও ফ্রাই। এখানে বঙ্গোপসাগরের গভীরের মাছ লইট্যা, টুনা, ইলিশ, কোরালের পাশাপাশি কাঁকড়া ফ্রাইয়ের চাহিদাও তুঙ্গে। এছাড়া মুরগি ফ্রাই ও বারবিকিউতো আছেই। এসবের সঙ্গে পরোটার স্বাদ যেন অমৃত!

সাগরপাড়ের প্রায় অর্ধশত দোকানে কাঁকড়া, মুরগি ও বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ পর্যটকদের জন্য সাজিয়ে রাখেন ব্যবসায়ীরা। সন্ধ্যা নামলেই পর্যটকরা এসে সাধ্য অনুযায়ী পছন্দ মতো অর্ডার করলেই পাশের চুলায় ফ্রাই বা বারবিকিউ করে দেওয়া হয়। সঙ্গে থাকে পরাটা।

Advertisements

ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা জানান, আকার ভেদে একপিস কাঁকড়া বিক্রি হয় ৫০ থেকে ২০০ টাকায়। টুনার পিস আকার ভেদে ২৫০ থেকে হাজার পর্যন্ত। আর ইলিশ ও কোরাল বিক্রি হয় কেজি হিসেবে। আকার ভেদে ইলিশ কেজি প্রতি বিক্রি হয় ৪০০ থেকে হাজার টাকায়। আর আকার ভেদে এক কেজি কোরালের জন্য গুণতে হয় ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত।

সাগর পাড়ের ফ্রাই ব্যবসায়ী কাওসার জানান, প্রায় সব শ্রেণি-পেশার পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় ফিস ও কাঁকড়া ফ্রাই থাকেই। তাই সবার কথা মাথায় রেখেই চাহিদা মতো ছোট-বড় সব ধরনের মাছ রয়েছে তাদের কাছে। সব শ্রেণির পর্যটকদের আকৃষ্ট করে ফিস ফ্রাই খাওয়ার চাহিদা মেটাতে চেষ্টা করেন তারা। ঢাকা থেকে আগত পর্যটক মো.আব্দুর রহমান জানান, বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন তিনি। তাদের প্রথমে কাঁকড়া এবং পরে টুনা ফিস ও রুটি দিয়ে রাতের খাবার সেরেছেন।

Advertisements

এছাড়া কোমল পানীয় ব্যবসায়ী রাসেল জানান, যারা ফিস বা কাঁকড়া ফ্রাই খান, তারা আবার পানি, কোমল পানীয় ও সস কেনেন। এসব বিক্রি করে তার দৈনিক প্রায় পাঁচশ’ থেকে হাজার টাকা আয় হয়। সবার জন্য নিরাপদ পরিবেশ ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করে কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের আস্থা অর্জন করতে পারলে এখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড় বারবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খোন্দকার মো:আবুল খায়ের বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় এবং নিরাপদ সৈকত গড়তে কাজ করছে থানা ও টুরিস্ট পুলিশ।

Drop your comments:

Please Share This Post in Your Social Media

আরও বাংলা এক্সপ্রেস সংবাদঃ
© 2022 | Bangla Express | All Rights Reserved
With ❤ by Tech Baksho LLC