প্রবাসীর স্ত্রীকে অপহরণ করে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

টপ নিউজ বাংলাদেশ
Share this news with friends:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (২৯) অপহরণের পর কেরানীগঞ্জে সাত দিন আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় আকাশ (২৫) নামের এক যুবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফতুল্লা থানার শাহজাহান রি-রোলিং মিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রাকিবুজ্জামান জানান, গ্রেফতার আকাশ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার চরমোহন লাউরানির সোবহান হাওলাদারের ছেলে। সে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার সোহাগের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

Advertisements

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে আকাশ ও ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে আকাশের বোনকে (২০) আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীর স্বামী প্রবাসী। তিনি চার সন্তানকে নিয়ে ফতুল্লার লালপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন। আকাশ ভুক্তভোগীর স্বামীর আত্মীয় হওয়ায় মোবাইল ফোনে প্রায়ই তাদের কথা হতো। আত্মীয় হওয়ায় বাদীর বাসায় আকাশের যাতায়াত ছিল।’

জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে আকাশ এবং তার বোন বাদীর লালপুরের বাসায় আসে। একপর্যায়ে তারা নিজেদের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানের কথা বলে প্রবাসীর স্ত্রীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কেরানীগঞ্জে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে বাসায় পরিবারের কোনও সদস্যকে দেখতে না পেয়ে ভুক্তভোগী চলে আসতে চাইলে আকাশ জানায়, তার ‘মা চলে আসবে’। পরে বিকালে গৃহবধূ চলে আসতে চাইলে তাকে জোরপূর্বক রাতযাপনে বাধ্য করা হয়। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আকাশ গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এরপর ২০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) রাত ২টা পর্যন্ত আকাশ তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ২১ তারিখ গভীর রাতে গৃহবধূ আকাশের বাড়ি থেকে পালিয়ে নিজ বাসা লালপুরে চলে আসেন। বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগী ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

Advertisements

ওসি আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেতে কিছুটা সময় লাগে।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ন কবির জানান, আজ দুপুরে ফতুল্লা থানার শিয়াচর লালখাঁ এলাকা থেকে আকাশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Drop your comments: